Friday, April 11, 2014

লোকগুলো এত ঝগড়া করে কেন !

আজকাল ফেসবুকে লিখছি না। অন্য কোথাও যে লিখে ভরিয়ে ফেলছি এমন নয়, তবে আগে লিখলে ওখানে দিতাম। এখন আর দিচ্ছিনা। ফোন করে এমন লেখা দে লেখা দে করতে থাকে একেকজন যে বিরক্ত লাগে। লেখা আমার শখ, পেশা না। মানে লিখেটিখে যদি দু-পয়সা আয় হত তাহলে না হয় ওসব ঘ্যান ঘ্যান বরদাস্ত করা যেত। কিন্তু তা তো আর হচ্ছে না। একদিন দেব না বলেছি তাতে শান্তি হয়নি, আবার ফোন ! আচ্ছা বেশ,  দিলাম, অল্প সেকেন্ড হ্যান্ড চেনাশোনা ছিল, তাই। সেকেন্ড হ্যান্ড মানে, ডাইরেক্ট চেনা না, তবে আমার চেনার চেনা। মানে এই দিচ্ছি, আর কিন্তু দেবো না টাইপের করে। দেখি আবার ফোন করেছে ! কি কান্ড মাইরী ! কিছুতেই পেছন ছাড়ে না ! (এখানে একটা কান্নার স্মাইলি বসবে) যাকগে অল্প বকে দেওয়ার পরে আর ফোনটোন করছে না (শান্তির স্মাইলি + "আবার না করে" স্মাইলি)। চুপি চুপি এই প্রসঙ্গে বলে রাখি ব্যাটা অসম্ভব বাজে বকে । এই রে ! এটা কার কথা লিখলাম সেটা কেউ বুঝে ফেললে বিচ্ছিরি ব্যাপার হবে। (জিভ কাটা স্মাইলি)।

এবার যেটা বলছিলাম, এই কিছুক্ষণ আগে ফেসবুক করছিলাম। দেখি নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে একজন ছড়া কেটেছে। আবার সেটাকে বাড়িয়েছে আরেকজন। ভালোই লাগছিল পড়তে, বেশ লিখেছে দুজনে। হঠাৎ দেখলাম একজন তেড়ে এলো !! "এই মোদীর নামে কে কি বলছে রে !!!" এরকম একটা ভাব ! বলে সে কি ঝামেলা ! যেন ছোট থেকে মোদীকে কোলে পিঠে মানুষ করেছে,আর আজ যেই ফুটফুটে শিশুটাকে ঘরের বাইরে বার করা ওমনি সব শয়তানেরা ঝাঁপিয়ে পড়লো নষ্ট নজর নিয়ে ! ঘন্টা তিনেক খুব চাপান উতোরের পরে আবার যখন সব শান্ত হল, তখন ঠিক যেমন হয়, কেউ জিতলো না।

এখন একটা কথা বলো ... মোদী বা মোদীর বিরোধী ... কোনো পক্ষই কি এদের পয়সা দেয় এদের হয়ে কথা বলায় জন্য ? নাকি কোনো ব্যাটাই ক্ষমতায় এলে এদের যারপর নাই উপকার হবে কোনো? আমার ২৮ বছর বয়স, রাজনীতি-সমাজ এইসব মাথায় একটু একটু ঢুকছে এই বলা যায় ১৫ বছর। কখনো দেখলাম না কোনো পার্টি এসে দেশের বিশাল কোনো উপকার করল। করার মধ্যে খালি এই ওই স্ক্যাম, আর ঠিক শব্দ দিয়েও ধরা যায় না এত এত টাকা গাপ্‌। তারপরেও কি করে কেউ কারও পক্ষ নিতে পারে এটাই আমার মাথায় ঢোকে না।

আর পক্ষ নেওয়া তো নয়, রীতিমত কোমর বেঁধে ঝামেলা করা। পারেও এই গরমে... 

No comments:

Post a Comment